1. admin@esaharanews.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন

টেট মামলায় ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে হতাশ মামলাকারী প্রার্থীরা যেতে পারেন সুপ্রিম কোর্টে!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেক্স : টেট পরীক্ষা নিয়ে বড় স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। রাজ্যের যুক্তি মেনে নিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে বড় ধাক্কা খেলেন মামলাকারী চাকরি প্রার্থীরা। যে সমস্ত মামলাকারী চাকরি প্রার্থী সিঙ্গেল বেঞ্চের অর্ডার অনুযায়ী প্রাইমারি টেট পরীক্ষা দিয়েছিল, তাদের পরীক্ষা বাতিল হয়ে গেল। মাননীয় বিচারপতি সৌমেন সেন ও সৌগত ভট্টাচার্য মহাশয় এর ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে ৩১ জানুয়ারি যে সমস্ত মামলাকারী চাকরি প্রার্থী টেট পরীক্ষা দিয়েছিল তাদের পরীক্ষা বাতিল হল। যদিও কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের এই রায়ের পর হতাশ মামলাকারী চাকরি প্রার্থীরাদের একাংশ। তাঁরা এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যেতে পারেন। যদিও এখনও এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন এক মামলাকারী চাকরি প্রার্থী। ২০১৭ সালের মে মাসে রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঘোষণা করে প্রাইমারি টেট হবে। কিন্তু সেই পরীক্ষা হয়নি। ওই বছর অক্টোবরে ফের টেট-এর বিজ্ঞপ্তি দেয় রাজ্য সরকার। এরপর গত বছর ২৩ ডিসেম্বর আবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজ্য সরকার জানায়, আগামী ৩১ জানুয়ারি প্রাথমিকের টেট হবে। যদিও নতুন করে আর আবেদন করা যাবে না। সেই বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে বেশ কিছু পরীক্ষার্থী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। আবেদনে তাঁরা বলেন, National Council for Teacher Education বা NCTE-র নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রতি বছর টেট নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু তা হয়নি। আগেই তাঁদের প্রশিক্ষণ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁদেরকেও এবারের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হোক। এরপরই বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্দাজ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দেন, শুধুমাত্র মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের আবেদপত্র অফলাইনে জমা নিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাবস্থা করতে হবে। কোর্টের নির্দেশ পিটিশনার দের পরীক্ষার ব্যাবস্থা করলেও ডিভিশন বেঞ্চে যায় আদালত। তারই আজ রায় হল।

গতকালের শুনানিতে রাজ্য সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা জানান, ২০১৭ এর প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল ডিএলএড প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরাই যোগ্য এই পদের জন্য। কিন্তু তাও আবেদন জানান তাঁরা, মামলাও করেন, অনুমতিও পান। পরীক্ষায় বসেন। রাজ্যের পক্ষের আইনজীবীর আইনজীবীর যুক্তি শুনে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

SJ