1. admin@esaharanews.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন

প্রকৃতিতে যেন ফাল্গুনের বাসন্তী ছোঁয়ার হাওয়া

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

ঈশাহারানিউজ ডেক্স : প্রকৃতির বর্ণিল সাজ জানান দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্ত কড়া নাড়ছে। শীতের হাওয়ার কাঁপন ছাড়িয়ে মৃদুমন্দ বাতাসে প্রকৃতিতে নানা রংয়ের সমারোহ। গাছে গাছে আমের বোল, পুষ্প, শিমুল-পলাশে সেজেছে প্রকৃতি। সাথে গাইছে কোকিল। দিচ্ছে বসন্ত বারতা। দিনের উত্তাপও এখন ঊর্ধ্বমুখী।
বসন্ত মিলনের ঋতু, আবার বিরহেরও। শীতের জবুথবু প্রকৃতির অবসান ঘটিয়ে দক্ষিণ সমীরণের প্রবাহ শুরু হয় বসন্তে, এর সঙ্গে দোলায়িত হয় মানুষের মনও। এ সময় জীবন রসায়নে যেন কী এক পরিবর্তন আসে। হৃদয়ে সৃষ্টি হয় উন্মাদনা, সাড়া জাগায় এক অব্যক্ত আবহ। কেবল মানব-মানবীর মনেই নয় বৃক্ষরাজি, পক্ষী ও প্রাণিকূলেও এ হাওয়া দোলা দেয়।

 

ফুলে ফুলে প্রজাপতির উড়াউড়ি
রাজধানীর বিভিন্ন পার্কে ও রাস্তার পাশে বিভিন্ন গাছে চিক চিক করছে সবুজ কচিপাতা। ঝিরি ঝিরি বাতাসে সবুজ পাতা তিরতির করে উড়ছে। কুঁড়ি থেকে ফুটছে ফুল। লাল-সাদা-হলুদ আর বেগুনি। দেখতে কি সুন্দর, কত রঙিন, অন্যরকম এক আবেশ ছড়াচ্ছে প্রকৃতি।

বাগানে বাগানে আমের মুকুল
ইতিহাস থেকে জানা যায়, মোগল সম্রাট আকবর প্রথম বাংলা নববর্ষ গণনা শুরু করেন ১৫৮৫ সালে। নতুন বছরকে কেন্দ্র করে ১৪টি উৎসবের প্রবর্তন করেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে “বসন্ত উৎসব”। তখন অবশ্য ঋতুর নাম এবং উৎসবের ধরণটা এখনকার মতো ছিল না। তাই পহেলা ফাল্গুন বা বসন্ত উৎসব কেবল উৎসবে মেতে ওঠার সময় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাংলার গৌরবময় ঐতিহ্য, বাঙালিসত্তা। সে ঐতিহ্যের ইতিহাসকে ধরে রাখতে পারলেই বসন্ত উৎসবের সঙ্গে নতুন প্রজন্ম ছড়িয়ে দিতে পারবে বাঙালি চেতনাকে।
বঙ্গাব্দ ১৪০১ সাল থেকে প্রথম ‘বসন্ত উৎসব’ উদযাপন করার রীতি চালু হয়। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ “বসন্ত উৎসব” আয়োজন করে আসছে।

শিমুলের ডালে পাখির গান
বলা যায়, মহামারি করোনার কারণেই শীত আমাদের কাছে আতঙ্কের বিষয় হয়েছিল। কারণ এ শীতেই করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বে দ্বিতীয় দফা তাণ্ডব চালিয়েছে। সেই আতঙ্ক আমাদের পিছু ছাড়েনি। তবে আশার কথা, দেশে করোনা বাড়েনি। শীতে খুব একটা অস্থিরাবস্থা হয়নি। এর মধ্যে করোনার টিকা এসে গেছে।
আর, বাংলার পল্লীতে গ্রামে-গঞ্জে সবচেয়ে বেশি মেলা বসে এ ঋতুতে। নানা উৎসব আয়োজন হয়। তাই বসন্ত বরণে ব্যাকুল হয়ে ওঠে বাঙালিরা, অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠনও মুখর হয় বসন্তবরণে। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে ১৩ ফেব্রুয়ারি পহেলা ফাল্গুন পালিত হয়।
ঈ/নি:দীনবন্ধু মজুমদার

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

SJ