1. admin@esaharanews.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন

১০০ জনকে নিয়ে হবে এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের কারণে দ্বিতীয় বছরের মতো পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রার কার্যক্রম সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এবার মাত্র ১০০ জনের অংশগ্রহণে চারুকলা অনুষদ চত্বরে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করবে কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবছরের বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে চারুকলা অনুষদের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হলেও সোমবার নতুন এই সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ক্লাসরুমে এক ভার্চ্যুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সভাপতিত্ব করেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূইয়াসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা সংযুক্ত ছিলেন।

সভায় কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে জনসমাগম এড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

সভায় জানানো হয়, মঙ্গল শোভাযাত্রা ঘরে বসে উপভোগের লক্ষ্যে এবছর টেলিভিশন চ্যানেলে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নববর্ষ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের মেলা বা ভ্রাম্যমাণ দোকান না বসানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

চারুপীঠ নামে একটি সংগঠন ১৯৮৫ সালে যশোরে প্রথমবারের মতো নববর্ষের উৎসবে পাপেট ও মুখোশ নিয়ে বাদ্যা বাজিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে।

এরপর ১৯৮৯ সাল থেকে ঢাকা চারুকলার শিক্ষার্থীরা পহেলা বৈশাখের সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে আসছেন। এই শোভাযাত্রা এখন কেবল বর্ষবরণ উৎসবের অনুসঙ্গই নয়, এর মধ্য দিয়ে বাঙালি সংস্কৃতিকে মেলে ধরার পাশাপাশি সমাজে অবক্ষয় থেকে মুক্তি, পেছনের দিকে হাঁটা প্রতিরোধের আহ্বানও জানানো হয়।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আবেদনে গতবছর ৩০ নভেম্বর জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো বাংলাদেশের মঙ্গল শোভাযাত্রাকে তাদের ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

SJ