ঢাকামঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৩:৪৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রতারণা আত্মহত্যার সড়ক তৈরী করে।

admin
জুলাই ২৩, ২০২২ ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ
পঠিত: 89 বার
Link Copied!

মানুষের চেয়ে বড় প্রতারক কেউ হোতে পারেনা;
কেননা,পরিস্থিতি মোতাবেক উপায় খুঁজে বের করতে মানুষ সেরা।
উপায় যতই বের করুন,
সময় অল্প;
সুযোগ সীমিত।
তাই,কাছের অথবা বিশ্বস্ত মানুষের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ যেভাবেই হোক প্রতারণা করলে,আস্তে আস্তে নৈতিক শক্তি হারিয়ে জীবন বিপন্ন হয়ে যায়;সুযোগ সীমাহিত হোতে হোতে সংকীর্ণ হলে,বেছে নেয় আত্মহননের পথ বেছে নেয়।অহরহ এমনটি ঘটছে।প্রলোভন লোভী মানুষের মন জয়ের সহজ কৌশল।সরল কিন্তু লোভী অথবা প্রয়োজনের ফলে অনেকে মুখোশধারীতে চিনতে পারে না।টোপ বা ট্রাপের বিষয়টা বুঝতে পেরেই প্রতারণার শিকার মানুষটি বুঝতে সক্ষম হলেই দিশেহারা বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যায়!
শরীরে সিজিন্যাল জ্বর নিয়ে,একটি পারিবারিক ও অন্যটি জেলাভিত্তিক সংগঠিত দু’টি ঘটনায় খুবই চিন্তিত আছি।বিছিন্ন হয়ে সমাধান সূত্র খুঁজতে যেয়ে দেখি,’আমাদের বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা কীভাবে বৃদ্ধি পায়,সে বিষয়ে মনোযোগ দেওয়া অতিব জরুরী’ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই!
পারিবারিক বিষয়টির সমাধান বিলম্ব হলেও,সমাধান হবে অথবা বিকল্প উপায়ে সমাধান আসবে কিন্তু পুলিশ বাহিনীতে চাকুরীরত দু’জন সদস্যের আত্মহত্যার সংবাদ মাগুরা জেলাসহ পৃথিবীতে পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট ব্যবহারীকারীদের কাছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পরবর্তীতে সংবাদ পত্রসহ অন্যান্য মাধ্যমে প্রেজেন্টেড সংবাদ প্রণয়ঘটিত হিসেবেই পরিবেশন করে।
বয়স অবস্থান পদ পদবী বিবেচনা না করেই অন্তরঙ্গ সময়ের জন্ম হয়।সরল আবেগ অথবা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি অথবা মোহভঙ্গের মত ঘটনায় সংক্ষুব্ধজন আত্মহননের পথ বাস্তবায়নে সাহসী হয়ে উঠেন।তার কাছে জীবন বয়ে চলার চেয়ে স্থায়ীভাবে ইতিটানাকে সময়ের সেরা সিদ্ধান্ত মনে করে এই দু:খজনক ট্রাজেডিতে শেষ করে জীবন নাটক।
সীমাবদ্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার দ্বারা আত্মনিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতাকে মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড ফ্রয়েড মনোবৈকল্যের কারণ বলে চিহ্নিত করেছেন।সমাধান ও চিকিৎসার যোগ্য জৈবনিক ও সামগ্রিক এই স্টেট থেকে মুক্তির পথ একটিই স্বীকৃত ও বৈজ্ঞানিক।
সৎ ও অভিজ্ঞ মানুষের সঙ্গে পরামর্শ;
পরিশ্রমে মনোযেগ;
অবকাশে মেডিটেশন,
চক্র অনুসরণ করলে দুর্ঘটনা উপেক্ষা করা সম্ভব মনে করি।
পারিবারিক, প্রাতিষ্ঠানিক,সামাজিক ও ধর্মীয় অনুশাসন কোনদিন যারা মেনে চলেনি,যতই পদস্থই হোক
নৈতিক শিক্ষা,
করণীয় অকরণীয় শিক্ষা সম্পর্কের সীমারেখা চিনতেই পারে না,
ডিএইচ লরেন্স এদের স্ট্রিম অফ কনসাসনেস বিকল বলে মানব চরিত্র সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন,
‘সন্সেস এ্যান্ড লাভারস’ উপন্যাসে।
মেধাবী ও পদস্থই শুধু নয়;
কেনো মানুষই আত্মহননের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান দিয়ে যেতে পারেনি
বরং বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়ে সমাধানযোগ্য সমস্যার সমাধানের সুযোগ না দিয়ে জটিল ও নানাবিধ সমস্যার জন্ম হয়।
সৃষ্ট ঘটনার আঘাতে নিকট জনের চিন্তা চেতনার জগৎ পর্যন্ত বিকলাঙ্গ হয়ে যায়।
কী বলতে চাচ্ছি, আশা করি বিজ্ঞ বন্ধু ও অনুগামী সকলেই বুঝতে পারেন!
বিপদগামীতা,নির্বুদ্ধিতা ও সংযমহীনতার জন্যে এই ধরণের অবাঞ্চিত ঘটনার জন্ম হয়।
কোনো কালে ও কোনো দেশে আত্মহত্যা শূণ্যের কোটায় আনতে পারেনি!
সমাধানের এই ভ্রান্তসূত্র পরিহার করার জন্যে সকল বন্ধু ও অনুগামীকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ জানাই।
একটি অভজারভেশনের কথা জানাই,লোভী ও ভোগী মানুষ প্রতারিত হলে আপ্লুত আবেগে আত্মহননের পথে হেটে দেয়!
সংগ্রামী ও প্রতিবাদী মানুষ সংগ্রামকে জীবন নদীর নিরন্তর ধারা মনে করেন।তারা আত্মহত্যা করেন না(কেবল,সামগ্রিক প্রশ্নে করতে পারেন)
মহামারীর আঘাতে অর্থনীতির সাথে সৃষ্ট মানসিক ক্ষত মানুষকে বিষাদগ্রস্ত করে রেখেছে!
বিশ্বময় সৃষ্ট এই সংকটে আমি আপনি যদি শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখতে ব্যর্থ হই, অনিবার্য বিপর্যয়ে কাকে আর তাঁর চেয়ে বড় সুহৃদ হিসেবে দেখি!
উত্তর দিয়ে সমালোচনা করুন।
অথবা বিশ্বাসঘাতকতা না করার অনুরোধ করি।কেননা,বিশ্বাসভঙ্গ শুরু হয় প্রতারণা দিয়ে!!
সুতরাং পরিকল্পিত প্রতারণার মুখোশ উন্মোচিত হলে নিয়ন্ত্রণ অযোগ্য আবেগ জীনকে বিবেচনা রহিত করে হত্যা করে! দায়ী কে?
উত্তর দিয়ে গেছে পরোক্ষভাবে উপেক্ষার উপায় জানিয়ে!!
প্রত্যেক মানুষই শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময়,বেদ বেদান্তের কথা।
সুতরাং উপকারী ও সরল মানুষের সাথে;
আবেগী ও বিশ্বস্ত মানুষের সাথে যারা প্রতারণা করেন,তারা মানুষ ও সমাজের শত্রু।
প্রতারকের সঙ্গ ত্যাগ যত দ্রুত সম্ভব,
কার্যকরীভাবে আত্মহননের পথ রোধ হওয়ার ততটা সম্ভব।।
[ যা ইচ্ছে,তা, কমেন্ট ও রিপ্লাইয়ে দেওয়া যায় না]    sree indro biswas