ঢাকাশুক্রবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৭:১৩
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নাগরিক সমাজের মৌনী মিছিল, কটাক্ষ শাসক শিবিরের

admin
আগস্ট ২৮, ২০২২ ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
পঠিত: 29 বার
Link Copied!

রাজনৈতিক পরিচিতির বাইরেও সমাজকর্মী হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথা জানেন স্থানীয় মানুষ। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ বনগাঁর নাগরিক সমাজ।

প্রসেনজিৎ, নিজস্ব সংবাদদাতা : বনগাঁ পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের উপনির্বাচনে বহিরাগতদের দাপাদাপি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। ভোটের দিন সিপিএম প্রার্থী ধৃতিমান পালের পোলিং এজেন্ট, বাহাত্তরের বৃদ্ধ অনাথবন্ধু ঘোষকে শারীরিক ভাবে নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। রাজনৈতিক পরিচিতির বাইরেও সমাজকর্মী হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথা জানেন স্থানীয় মানুষ। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ বনগাঁর নাগরিক সমাজ। অনাথবন্ধুকে শারীরিক ভাবে নিগ্রহের প্রতিবাদে এবং সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশের দাবিতে এ বার পথে নামলেন শহরের কবি, লেখক, প্রাবন্ধিক, মানবাধিকার কর্মী, নাট্যকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিবেশ কর্মী, সাংস্কৃতিক ও সমাজকর্মীরা। মিছিলে পা মেলান ধৃতিমানও। সব মিলিয়ে শ’দেড়েক মানুষ যোগ দেন।শুক্রবার বিকেলে ১ নম্বর রেলগেট এলাকা থেকে মৌনী মিছিল বেরোয়। যশোর রোড ধরে বাটার মোড়, মতিগঞ্জ হয়ে মিছিল শেষ হয় ত্রিকোণপার্ক এলাকায়। মিছিলের উদ্যোক্তা ছিল, ‘বনগাঁ সাহিত্য সংস্কৃতি মঞ্চ।’ ২১ অগস্ট ভোটের পরে মঞ্চের পক্ষ থেকে বিশ্বজিৎ ঘোষ, সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, দেবাশিস রায়চৌধুরী-সহ অনেকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, মৌনী মিছিলের মাধ্যমে ঘটনার প্রতিবাদ করবেন তাঁরা। সেই মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার শুরু হয়।

উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজনৈতিক পরিচিতি বাদেও অনাথবন্ধু একজন সমাজকর্মী। এ ছাড়া, ক্রীড়া-সংস্কৃতি সহ অনেক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর উপরে দুষ্কৃতীদের হামলার প্রতিবাদেই এই মিছিল। অনাথবন্ধু বলেন, ‘‘এত মানুষ পাশে এসে দাঁড়াচ্ছেন। ভাল লাগছে। আরও কাজ করার শক্তি পেলাম।’’ ভোটের দিন গোলমালে বিরোধীরা অভিযোগের আঙুল তুলেছিল তৃণমূলের দিকে।

সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘‘বনগাঁ সাহিত্য সংস্কৃতি মঞ্চের আড়ালে সিপিএম এ দিন মৌনী মিছিল করেছে। কী বোঝাতে চাইলেন ওঁরা, বোঝা গেল না। ভোটে সিপিএমকে মানুষ ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। ভোটে কোনও সন্ত্রাস হয়নি। বনগাঁয় সুস্থ রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ আগে থেকেই আছে। বিরোধীরা তা নষ্ট করতে চাইছে।’’

এদিন মিছিলে বামঘনিষ্ঠ অনেককে দেখা গিয়েছে। তবে সিপিএম নেতা পীযূষকান্তি সাহা বলেন, ‘‘এখনও সব বুদ্ধিজীবী বিক্রি হয়ে যাননি। মানুষের মধ্যে সচেতনতা ফিরছে। মানুষ আর তৃণমূলকে সহ্য করবে না। সিপিএমের মিছিল বলে চালানোর বৃথা চেষ্টা করা হচ্ছে।’’

সুত্রআনন্দবাজার পত্রিকা