ঢাকামঙ্গলবার, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:২৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর অমৃতবাণী :–

admin
নভেম্বর ১৩, ২০২২ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
পঠিত: 36 বার
Link Copied!

বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর অমৃতবাণী :–
🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️
১) রণে-বনে, জলে-জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়বি, আমাকে স্মরণ করবি। আমিই রক্ষা করবো।

২) আমার চরণ ধরিস না, আমার আচরণ ধর।

৩) ইচ্ছায় হোক, অনিচ্ছায় হোক, যে সন্তান মায়ের আদেশ পালন করে, ভগবান তার মঙ্গল করেন।

৪) ছোট শিশুকে দেখিস্ না, কি সহজ সরল ভাব। মায়ের উপর কি স্বাভাবিক সমর্পণের ভাব। সেখানে ছলচাতুরী বা বিদ্যা বুদ্ধির অহংকার নেই। শুধু সহজ সরল আবদার তাতেই মা খুশী। তোকেও তেমনি সহজ সরল হয়ে তাঁর উপর নির্ভরশীল হতে হবে।

৫) যে কাজ তোমার মনে তাপের সৃষ্টি করে, তাকেই পাপ বলে জানিবে। কর্মের মধ্যে দিয়ে আত্ননচেতন শান্তির ভাব মনকে ভরিয়ে তুলে, তাই পূণ্য এবং স্বর্গতুল্য।

৬) ধার্মিক হতে চাইলে প্রতি রাতে শয়নকালে প্রতিদিনের কাজের হিসাব- নিকাশ করবি। অর্থাৎ ভাল কাজ কি করেছিস এবং খারাপ কাজ কি করেছিস, তার চিন্তা করে মন্দ কাজ আর না করতে হয়, তার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হবি।

৭) মন যা বলে শোন, কিন্তুু আত্মবিচার ছেড়ো না। কারণ মনের মত প্রতারক আর কেউ নেই। মহাপুরুষদদের বাক্য, শাস্ত্র বাক্যে শ্রদ্ধাবান না হলে প্রকৃত আত্মবিচার সম্ভব নয়।

৮) সূর্য উঠলে যেমন আঁধার পালিয়ে যায়। গৃহস্থের ঘুম ভেঙে গেলে যেমন চোর পালিয়ে যায়, ঠিক তেমনি বার-বার বিচার করলে খারাপ কাজ করবার প্রবৃত্তি পালিয়ে যাবে।

৯) বাক্য বাণ, বন্ধুবিচ্ছেদ বাণ, বিত্তবিচ্ছেদ বাণ – এই তিনটি বাণ সহ্য করতে পারলে মৃত্যুকে জয় করা যায়।

১০) আমার বিনাশ নেই, শ্রাদ্ধও নেই, আমি নিত্য পদার্থ। অর্থাৎ এই ‘আমি’ হলাম গীতায় বর্ণিত ‘পরমাত্মা’।

১১) গীতা শুধুমাত্র একটি পাঠ্যপুস্তক নয়, তুই নিয়মিত পাঠ করবি, কণ্ঠস্থ করবি, সব সংস্কৃত শ্লোক। গীতা হবার সাধনা কর।

১২) তাকে ভালবাসতে গেলে আগে ঘর থেকে শুরু কর। মা- বাবা, স্ত্রী, পুত্র, সবার মধ্যেই তিনি। সবাইকে যে আপন করতে পারে না, নিঃস্বার্থভাবে সবার জন্য যার প্রাণ কাঁদে না, সে আবার বিরাটকে ভালবাসবে কি করে।

১৩) তবে তোরা জাগতিক চাওয়া নিয়েই ভুলে থকিস্ না, সত্য লাভ করার জন্য চেষ্টা কর, আমার কৃপা তোদের সাধন পথকে সুগম করে তুলবে।

১৪) দেখ-অর্থ উপার্জন করা, তা রক্ষা করা, আর তা ব্যয় করবার সময় বিষয় দুঃখ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়। তাই অর্থ ব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্যে চিন্তা করে কোন লাভই হয় না।

১৫) ক্রোধ ভাল কিন্তুু ক্রোধান্ধ হওয়া ভাল নয়।

১৬) কাম, ক্রোধ সব রিপুই অবচেতন মনের স্তরে স্তরে সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে, সুযোগ পেলেই তারা প্রকাশ হয়, কারণ মানুষ তাদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে সচেতন নয়। অসচেতন মন রিপুদের অবাধ ক্রিয়াক্ষেত্র।

১৭) প্রেমের জগৎ সব বিচার বুদ্ধির বাইরে। পুরুষ ও নারী একে অপরের প্রতি অদম্য আকর্ষণ অনুভব করে, তাকে “কাম” আখ্যা দিয়ে তাকে নানাভাবে ত্যাগ করার চেষ্টা করে, কিন্তু এটা ছেলেমানুষি ছাড়া আর কিছু নয়। আগে জানতে হবে এই স্বাভাবিক প্রবৃত্তির উৎস কোথায় ? এই জৈবিক ক্ষুধার কারণই বা কী ? কেন মানুষ কামের উর্ধ্বে ওঠার চেষ্টা করেও বিফল হয়।

১৮) হস্ত দ্বারা কাম নিবারণ নারী হইতে বহুগুণ শ্রেয়।

১৯) জন্ম জন্ম ধরে কত পাপই সঞ্চয় করেছিস। এই শারীরিক মানসিক ভোগ ছাড়া যে বেরুনোর পথ ও নেই।

২০) ভোগ আর উপভোগের মধ্যে পার্থক্য আছে, যেমন পতি আর উপপতি। শাস্ত্রবিধি অতিক্রম করে যা স্বেচ্ছাচারে করা যায় তাই উপভোগ, তাতে শান্তি হয় না। বিধি পূর্বক ভোগে শান্তি।

২১) সিদ্ধি(গাজা) স্বয়ং প্রভু শিবের আহার তবে আমার বারণ কিসের ? তোদেরই বা কেন ?

২২) আমার উপর আস্থা এবং বিশ্বাস যতই বাড়বে, ততই তোদের সর্ব অভিষ্ট সফল হবে।

২৩) ভক্তের বোঝা, আমি নিজের কাঁধে বয়ে বেড়াই। তোদের সব দায়িত্বই আমার। কেবল তোদের সহজ সরল মনটুকু আমায় দে, আমি যে তোদের প্রেমের কাঙাল।

২৪) যে তার মন প্রাণ আমাকে দিতে পেরেছে, আমি তারই হয়ে গেছি, তার কাছে ঋণী।

২৫) যদি আমার প্রতি কোনো কৃতজ্ঞতার ভাব অন্তরে অন্তরে অনুভব করিস তো আমাকে ভিক্ষা দিস। দীন দরিদ্র আর সম্বলহীন অনাথের জন্য দয়া করে যা হাতে তুলে দিবি জানবি তা একমাত্র আমিই পাবো। আমি ছাড়া যে আর কেউ নেই রে।


আজও কেউ বাবার কাছ থেকে খালি হাতে ফেরেনা।
সূক্ষ্মদেহ ধরি বাবা করেন অধিষ্ঠান,
বিহার করেন সদা ভক্তদের সনে।
যে পূজে বাবা তার পুরান মনোষ্কাম,
আছেন বিরাজিত তিনি সকল স্থানে।

“জয় বাবা লোকনাথ,
জয় মা লোকনাথ,
জয় গুরু লোকনাথ,
জয় শিব লোকনাথ,
জয় ব্রহ্ম লোকনাথ।”
🙏🏼🔱🙏🏼🔱🙏🏼🔱🙏

.সংগৃহীত
💥💥💥🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️🕉️